Wednesday, September 28, 2016

প্রাকৃতিক উপায়ে মশা দমন

প্রাকৃতিক উপায়ে মশা দমন এর উপর গবেষণা পর্ব-১১

 

ব্যবহৃত সব যন্ত্রপাতিঃ

 

Saturday, September 24, 2016

প্রাকৃতিক উপায়ে মশা দমন

প্রাকৃতিক উপায়ে মশা দমন এর উপর গবেষণা পর্ব-১০



হাইপোথিসিস-২;
মশার হালকা তাপমাত্রার উপর আকৃষ্টতা আছে। এই তাপমাত্রা মানুষের শরীরের সবাভাবিক তাপমাত্রার চেয়ে সামান্য বেশি হবে। এই তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হবেনা। কারন এতে মশার আকৃষ্টতা হলেও মানুষের অনুভুতি সহ্য সীমার বাইরে চলে যাবে। যদিও এই বিশেষ পরিবেশটা ঘরের এক নির্দিষ্ট কোনায় রাখা হবে।

এই ধারনার কারনঃ
-      - মশা এক রকম ভাবে সবাইকে কামড়ায়না
-      - একসাথে কয়েকজন মানুষ বসে থাকলে যার শরীর সামান্য বেশি গরম তাকে মশা একটু বেশি কামড়ায় যদিও সব মানুষের গায়ের তাপমাত্রা মোটামুটিভাবে একই, তবুও কিছু মানুষ আছে যাদের গায়ে হাত দিলে মনে হয় গরম গা। এরকম লোককে মশা বেশি কামড়ায়।
-      - মানুষের কানের ছিদ্র দিয়ে হালকা তাপ বের হয়। আর কানের কাছে মশার ভনভনানির ব্যাপারটি উপেক্ষা করা যায়না।
-      - গোয়াল ঘরে গরুর দেহের তাপমাত্রা মানুষের দেহের তাপমাত্রার থেকে বেশ বেশি। আর গোয়ালঘরে মশার উপস্থিতি মানুষের ঘর থেকে অনেক অনেক বেশি।

হাইপোথিসিস-৩;
মশার অন্ধকারের উপর আকৃষ্টতা আছে। আমার মনে হয় এরা অন্ধকারকে এদের কেমোফ্লেজ হিসেবে মনে করে। যে, আমি কাউকে দেখছিনা তাই আমাকেও কেও দেখছেনা। সুতরাং কামড়ানো যাবে আনন্দে।

ধারনাটি করার কারনঃ
-      - সন্ধ্যার শুরুতে মশা ঘরের কোন থেকে বের হওয়া শুরু করে; যখন আধাঁর নামতে থাকে।
-      - রাতে উজ্জ্বল আলোতে মশার প্রাদুর্ভাব তুলনামূলক ভাবে কম মনে হয়।
-      - লাইট বন্ধ করে দিলে বা হঠাত বিদ্যুৎ চলে গেলে মশার উৎপাত সহ্যসীমার বাইরে চলে যায়।
-      - ভোর হওয়ার সাথে সাথে মশা আবার ঘরের কোনে আনাচে-কানাচে লুকাতে থাকে।
-      - চামড়ার জুতা, রাবারের জুতা ইত্যাদি যার ভেতরে অন্ধকার তার মধ্যে মশার উপস্থিতি উপেক্ষা করা যায়না।

হাইপোথিসিস-৪;
ইলেক্ট্রিক ওয়েভ এর কোন সীমায় মশা অবশ্যই আকর্ষিত বা বিকর্ষিত হবে। তাদের এন্টেনা ইলেক্ট্রিক সিগন্যাল অনুভব করে তাদের অবস্থান, চলাচল ইত্যাদি কাজ করে থাকে।
-      - এই পরীক্ষাধীন ইলেক্ট্রিক ওয়েভ অবশ্যই মানুষের সহ্যসীমার মধ্যে হবে
-      - মানুষকে শক করবেনা।
-      - মানুষের ক্ষতির মধ্যে এর সীমা হওয়া যাবেনা।
-      - মশা বাদে অন্যান্য গৃহপালিত প্রাণী ও উপকারী সব প্রানীর জন্য ক্ষতিকর হবেনা।

ইলেক্ট্রিক ওয়েভঃ বিদ্যুৎ শক্তিকে চুম্বক শক্তি দ্বারা প্রভাবিত করলে বিদ্যুৎ প্রবাহ ছড়িয়ে পড়ে ও বিদ্যুৎ শক্তি তরংগ আকারে একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্র তৈরি করে। ঐ ক্ষেত্রের মধ্যে একটি শক অনুভব হবে যদি তা শক করার মত ক্ষমতা বিদ্যুৎ শক্তি ধারন করে। বজ্রপাতের সময় বিদ্যুৎ শক্তি পৃথিবীর চুম্বক শক্তি দ্বারা প্রভাবিত হয়ে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। যাতে বেশ দূর থেকেও শক অনুভুত হয়।

হাইপোথিসিস-৫;
শব্দ প্রত্যেক প্রানীর ক্ষেত্রেই শ্রুতি কটু ও শ্রুতি মধুর হয়। কোন প্রানীর ক্ষেত্রে এই দুটি সীমায় পৌঁছাতে পারলে তারা ঐ শব্দের প্রতি আকৃষ্ট নয়তো বিকৃষ্ট হয়। এখন মশার এই দুটি সীমা অথবা তাদের পছন্দ অপছন্দের শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টির মাধ্যমে তাদের আকর্ষিত বা বিকর্ষিত করা যাবে। তবে মশার এন্টেনা শব্দের সনাক্তকরন করতে পারে কিনা, সেটা একটা প্রশ্ন।

শব্দ তরংগের ক্ষেত্রে যদি আমরা ঝড়ের শব্দ, বজ্রপাতের শব্দ, মানুষের চলাচলের শব্দ, ঢেউয়ের শব্দ, বৃষ্টির শব্দ (কারন বৃষ্টি হলে মশার উতপাত একদম ই থাকেনা) ইত্যাদি শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি করে যদি আমরা মশাকে ধোঁকা দিতে পারি যে এখন ঘরের মধ্যে প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছে তবে মশার কামড় থেকে রেহাই পাওয়া যাবে অনায়াসে। তবে এই ধরনের শব্দ কীভাবে বানাবো সেটা একটা প্রশ্ন। তবে শব্দগুলি রেকর্ড করে বাজিয়ে কি দেখা যেতে পারে???

Tuesday, August 23, 2016

প্রাকৃতিক উপায়ে মশা দমন

প্রাকৃতিক উপায়ে মশা দমন এর উপর গবেষণা (ইষ্ট আর ব্রাউন সুগার ব্যবহার করে) পর্ব-৯

Experiment:8




তারিখঃ ২২/০৮/২০১৬


স্থানঃ শহীদ শামসুজ্জোহা হল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রুম নং- ১৩১)


ফাঁদের সংখ্যাঃ ১টি। ঘরের মধ্যে। নতুনভাবে বানানো। পুরনো গুলো ব্যবহার করা সম্ভব হলোনা প্রচন্ড গন্ধের কারনে।


পানির পরিমাণ ২৫০মি.লি., চিনি ১০০গ্রাম, ইষ্ট ৩ টেবিল চামচ। ইষ্ট মেশানো অবস্থায় পানির তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই পানিতে চিনি মেশানোর পর তাপমাত্রা ছিল ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পানি ফুটানো হয়নি।


ফলাফলঃ


সন্ধ্যায় প্রচণ্ড মশার প্রকপ। ফাঁদ দেয়ার পরে হঠাৎ ঘন্টা তিনেকের মত কোন মশা নেই। ফাঁদের আশেপাশেও কোন মশা ঘুরতে দেখা গেলনা। ফাঁদে গ্যাস হয়ে বোতলের ছিপি লাগানো মুখ ইষ্টের ফেনায় বন্ধ হয়ে গেছিল। পরে ফেনা ছাড়িয়ে দিলাম। রুমে সেসময় মসুর ডাল আর ব্রয়লার মুরগী রান্না হচ্ছিল।


**রুমমেটের বিরক্তি আজ রাগে পরিণত হয়ে গেছে। পুরণো ফাঁদ গুলিতে এলকোহলের গন্ধ করায় বাইরের পোলাপান আমাকে সন্দেহ করা শুরু করে দিসে। আমি হলে নিম্নমানের মদ বানাচ্ছি এরকম টাইপ। কারো এজেন্ট হিসেবে সবার সামনে তা করার সাহস দেখাচ্ছি ইত্যাদি।**


  (বি.দ্র.  ঘরে আর বাইরে আজ অসংখ্য মশা। গত কাল বৃষ্টি হওয়ায় আর আজ রোদ হওয়ায় মশার উৎপাত আজ চরমে)


পর্ব-১ দেখতে ক্লিক করুন
পর্ব-২ দেখতে ক্লিক করুন
পর্ব-৪ দেখতে ক্লিক করুন  
পর্ব-৫ দেখতে ক্লিক করুন 
পর্ব-৬ দেখতে ক্লিক করুন 
পর্ব-৭ দেখতে ক্লিক করুন 
পর্ব-৮ দেখতে ক্লিক করুন 
পর্ব-৯ দেখতে ক্লিক করুন  
পর্ব-১০ দেখতে ক্লিক করুন 
পর্ব-১১ দেখতে ক্লিক করুন 
পর্ব-১২ দেখতে ক্লিক করুন

প্রাকৃতিক উপায়ে মশা দমন

প্রাকৃতিক উপায়ে মশা দমন এর উপর গবেষণা (ইষ্ট আর ব্রাউন সুগার ব্যবহার করে) পর্ব-৮

Experiment: 7


তারিখঃ ২১/০৮/২০১৬

স্থানঃ শহীদ শামসুজ্জোহা হল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রুম নং- ১৩১)

ফাঁদের সংখ্যাঃ ৩টি। ১টি ঘরের মধ্যে। ২টি ঘরের বাইরে যেগুলি ১দিনের পুরনো; এগুলো আগের রাতে ব্যবহার করা আর বেশ গন্ধ।

আর নতুন ভাবে বানানো অর্থাৎ পানি, চিনি, ইষ্ট মিশিয়ে বানানো যেটিতে CO2 তৈরি হচ্ছে সেটিতে পানির পরিমাণ ২০০মি.লি., চিনি ৭০গ্রাম, ইষ্ট ৩ টেবিল চামচ। ইষ্ট মেশানো অবস্থায় পানির তাপমাত্রা ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই পানিতে চিনি মেশানো অবস্থায় তাপমাত্রা ছিল ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তারপর পানি ফুটিয়ে তা ৩১ ডিগ্রী তাপমাত্রায় এনে ইষ্ট মিশিয়েছি।

ফলাফলঃ

একদিনের পুরনো এলকোহলের গন্ধ বিশিষ্ট ২টি ফাঁদ যেগুলি ঘরের বাইরে ছিলঃ কোন মশা বা ইনসেক্ট ঘুরতে দেখা যায়নি। সারারাত বৃষ্টি হওয়ায় কোন মশা নেই।

নতুন ফাঁদঃ মশা ঢুকেনি। তবে কিছু মশা ফাঁদকে কেন্দ্র করে ঘুরাফিরা করেছে।

**রুমমেট এর সাথে রাগারাগি করে একটা ফাঁদ আজ ঘরে রেখেছি। বাইরে বোতল কেটে বানানো ফাঁদ দেখে অনান্য অনেক ছাত্ররাও আজ ঠাট্টা করেছে**

 (বি.দ্র. হলে ঘরে আর বাইরে আজ কোন মশা নাই। বিকেল থেকে মুষলধারে বৃষ্টি হওয়ায় কোন মশা নেই। এছাড়া প্রচণ্ড বাতাস ও বইছে। রুমে কালকের লুকিয়ে থাকা কিছু মশা হালকা জ্বালাতন করেছে সন্ধ্যায়। পরে আর মশার উপদ্রব লক্ষ করা যায়নি।)


পর্ব-১ দেখতে ক্লিক করুন
পর্ব-২ দেখতে ক্লিক করুন 
পর্ব-৩ দেখতে ক্লিক করুন 
পর্ব-৪ দেখতে ক্লিক করুন  
পর্ব-৫ দেখতে ক্লিক করুন 
পর্ব-৬ দেখতে ক্লিক করুন 
পর্ব-৭ দেখতে ক্লিক করুন 
পর্ব-৮ দেখতে ক্লিক করুন 
পর্ব-৯ দেখতে ক্লিক করুন  
পর্ব-১০ দেখতে ক্লিক করুন 
পর্ব-১১ দেখতে ক্লিক করুন 
পর্ব-১২ দেখতে ক্লিক করুন


প্রাকৃতিক উপায়ে মশা দমন

প্রাকৃতিক উপায়ে মশা দমন এর উপর গবেষণা (ইষ্ট আর ব্রাউন সুগার ব্যবহার করে) পর্ব-৭

Experiment: 6


তারিখঃ ২০/০৮/২০১৬

স্থানঃ শহীদ শামসুজ্জোহা হল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রুম নং- ১৩১) এর ভিতরে এবং বাইরে যেখানে মশার উৎপাত বেশি।

ফাঁদের সংখ্যাঃ মোট ৫টি, ৩টি ঘরের মধ্যে যার ২ টি নতুন, ১টি দুদিনের পুরনো; এটির সাথে অল্প ইষ্ট মিশিয়ে দিলাম। ২টি ঘরের বাইরে। এগুলোর মধ্যে ১টি আগের রাতে ব্যবহার করা যেটিতে হালকা খেজুরের রসের মত গন্ধ, ১টি গত দুদিনের পুরনো, ফাঁদ যেগুলিতে এলকোহল তৈরি হয়ে খেজুরের রসের মত গন্ধ বেরুচ্ছে, পিওর আখের চিনি ব্যবহার করায় হালকা গুড়ের মত গন্ধও বের হচ্ছে।
ঘরের ভিতরে ১টি দুদিনের পুরনো এলকোহল বিশিষ্ট ফাঁদ, ২টি নতুন ফাঁদ, আর ঘরের বাইরে ১টি একদিনের পুরনো ফাঁদ আর আরেকটি দুদিনের পুরনো ফাঁদ এমন জায়গায় রাখলাম যেখানে মশা থাকার সম্ভাবনা খুব বেশি।

আর নতুন ভাবে বানানো অর্থাৎ পানি, চিনি, ইষ্ট মিশিয়ে বানানো যেটিতে CO2 তৈরি হচ্ছে সেটিতে পানির পরিমাণ ২০০মি.লি., চিনি ৭০গ্রাম, ইষ্ট ৩টেবিল চামচ। ইষ্ট মেশানো অবস্থায় পানির তাপমাত্রা ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই পানিতে চিনি মেশানো অবস্থায় তাপমাত্রা ছিল ৯৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ফলাফলঃ

দুদিনের পুরনো এলকোহলের গন্ধ বিশিষ্ট ফাঁদ (পুনরায় অল্প ইষ্ট মেশানো) যেটি ঘরের ভেতরে ছিলঃ কোন মশা, কোন ইনসেক্ট নেই।

একদিনের পুরনো এলকোহলের গন্ধ বিশিষ্ট ফাঁদ যেটি ঘরের বাইরে ছিলঃ কোন মশা বা ইনসেক্ট ঘুরতে দেখা যায়নি।

দুদিনের পুরনো এলকোহলের গন্ধ বিশিষ্ট ফাঁদ যেটি ঘরের বাইরে ছিলঃ কোন ইনসেক্টের কোন Response নেই।

এলকোহলের গন্ধ বিশিষ্ট নতুন ২টি ফাঁদ যেগুলো ঘরের ভিতরে ছিলঃ  একটিতে ২টি আরেকটিতে ৩টি মশা। রাতে বেশ কিছু মশা ফাঁদের আশে পাশে উড়াউড়ি করেছে। এটিতে চিনির পরিমাণ বেশি দেওয়ায় কার্বন ডাই অক্সাইড বেশি তৈরি হয়েছিল। এছাড়া ইষ্টের পরিমাণ ও বেশি ছিল। এলকোহল একটু বেশি উৎপন্ন হওয়ায় ঘরে পচা ভাতের বেশ দুর্গন্ধ বেরুচ্ছিল।

কেতাব ভাইয়ের গরুর গোয়ালে রাখা নতুন ফাঁদঃ মশা ঢুকেছে ১টি। তবে অসংখ্য মশা 
ফাঁদকে কেন্দ্র করে ঘুরাফিরা করেছে।

**রুমমেট এর বিরক্তি আজ চরমে। ঘরে ফার্মেন্টেশন করছি, নিম্নমানের মদের মত গন্ধ বেরুচ্ছে, কেউ ঘরে আসলে বলবে আমরা নেশাসক্ত। গন্ধের কারনে তার কয়েকবার বমিও এসেছে। কিছু দ্রবণ ঘরে ঢেলে পড়ায় প্রচন্ড গন্ধ করছে। কয়েকবার বডি স্প্রে দিয়ে স্প্রে করা হয়েছে। গন্ধ যায়নি। আমার জন্য রুমে রেড এলার্ট জারি করা হয়েছে। ১৪৪ ধারা। এই এক্সপেরিমেন্ট আর আমাকে রুমে কোনভাবেই করতে দেয়া হবেনা। বহুত সহ্য করা হয়েছে আর নয়। বাইরে বোতল কেটে বানানো ফাঁদ দেখে অনান্য ছাত্ররাও ঠাট্টার চোখে দেখছে আমায়। নাক চেপে যাচ্ছে আর কি করছি জিজ্ঞাসা করছে। মশা মারার কথা বললে দ্বিধাহীন ভাবে আড়চোখে তাকাচ্ছে**

 (বি.দ্র. হলের ঘরে আর বাইরে আজ বেশ মশার উপস্থিতিদিনের বেলায় বৃষ্টি বাতাস কোনটি ই তেমন হয়নি বেশ রোদ গেছে দিনের বেলা)


পর্ব-১ দেখতে ক্লিক করুন
পর্ব-২ দেখতে ক্লিক করুন 
পর্ব-৩ দেখতে ক্লিক করুন 
পর্ব-৪ দেখতে ক্লিক করুন  
পর্ব-৫ দেখতে ক্লিক করুন 
পর্ব-৬ দেখতে ক্লিক করুন 
পর্ব-৭ দেখতে ক্লিক করুন 
পর্ব-৮ দেখতে ক্লিক করুন 
পর্ব-৯ দেখতে ক্লিক করুন  
পর্ব-১০ দেখতে ক্লিক করুন 
পর্ব-১১ দেখতে ক্লিক করুন 
পর্ব-১২ দেখতে ক্লিক করুন